সর্বশেষ সংবাদ:
অন্ধকার জগতের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ডিজে নেহা ময়মনসিংহে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের বিভাগীয় কমিটি গঠন ধোবাউড়ায় ডি,পি,এল কোয়ালিফায়ার-২ খেলা অনুষ্ঠিত রফিক হাসান সভাপতি ও হারুনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন ধোবাউড়ায় ব্যাডমিন্টন খেলার আয়োজন করলেন মেম্বার পদ প্রার্থী মোঃ কামাল হোসেন ধোবাউড়ায় শত্রুতার জেরে বাড়িঘরে আগুন ও মারধোর করার অভিযোগ পথকলি শিশুদের ভরসার আরেক নাম “পথের ইশকুল” ধোবাউড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভোগান্তির চিত্র পরিবর্তনে দ্রুত রাস্তার কাজ করাচ্ছেন সাংসদ জুয়েল আরেং ধোবাউড়ায় গৃহবধুর ইজ্জতের মুল্য পঁচিশ হাজার টাকা ধোবাউড়ায় ১কেজি গাঁজা এবং প্রাইভেটকারসহ ৩জন আটক করেছে থানা পুলিশ

৫-৭ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক সম্মেলন!!! প্রভাবমুক্ত প্রশাসনের দাবি….

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ- আসন্ন জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে ‘রাজনৈতিক খবরদারিমুক্ত’ প্রশাসনের দাবি তুলবেন মাঠ পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা। একইসঙ্গে মাঠ প্রশাসনে কাজ করতে গিয়ে কোনো নিরাপত্তার অভাব যাতে না হয় সে বিষয়েও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত চাইছেন তারা। গতকাল দেশের বেশ কয়েকজন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে। করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যেই আগামী ৫ থেকে ৭ জানুয়ারি ঢাকায় বসতে যাচ্ছে ডিসি সম্মেলন।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠান পালন করবে বাংলাদেশ। অনুষ্ঠান দুটোর আয়োজনের বছরে এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলন অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত এবং সমৃদ্ধ দেশ গড়তে জেলা প্রশাসকদের বিশেষ দায়িত্ব দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া করোনাপরবর্তী জীবনে বাংলাদেশ কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে তার রূপরেখাও জেলা প্রশাসকদের জানাবেন সরকার প্রধান। একইসঙ্গে করোনার ভ্যাকসিন বিলিবণ্টনের বিষয়েও জানাবেন তিনি।
জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) শেখ রফিকুল ইসলাম গতকাল ভোরের কাগজকে বলেন, ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সবগুলো অধিবেশন এবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে হবে। ডিসিরা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনেই সম্মেলনে যোগ দেবেন। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন আগামী ৫ জানুয়ারি সকালে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অধিবেশনটি ভার্চুয়াল হবে। ৫ দিনের পরিবর্তে এবার তিনদিনে সম্মেলনটি হবে।
প্রতি বছর এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে দেশের ৬৪ জেলার ডিসিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের নীতি-নির্ধারকরা। সাধারণত জুলাই মাসে ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করে সরকার। গত বছর ১৪ থেকে ১৮ জুলাই এই সম্মেলন হলেও এবার করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে তা করা হয়নি। অন্যবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শপলা হলে সরকারপ্রধান নিজেই ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। আর সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে হয় সম্মেলনের বিভিন্ন কার্য-অধিবেশন। গতবার ডিসি সম্মেলনের সময় দুদিন বাড়িয়ে পাঁচদিন করার পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি, স্পিকার এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গেও ডিসিদের বৈঠক হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এবারের সম্মেলনে ডিসিরা প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বাঁধা ছকের বাইরে কাজ করতে গিয়ে যে সব অসুবিধা ও সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন সেসব তুলে ধরবেন। পাশাপাশি প্রতি বছরই ঘুরেফিরে আগের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোই তুলে ধরছেন তারা। তবে এবারের সম্মেলনে নতুন মাত্রা পেতে চলেছে মাঠ প্রশাসনকে রাজনৈতিক খবরদারি মুক্ত রাখার দাবিটি। উল্লেখ্য, মাঠ পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবের কারণে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিষ্কন্টক হয়ে কাজ করতে পারেন না। ভবিষ্যতে যাতে প্রভাবমুক্ত কাজ করতে পারেন সেই দাবিটি জোরেশোরে তুলবেন। একইসঙ্গে সার্বক্ষণিক যাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পান সে বিষয়েও কথা বলবেন তারা।

জানতে চাইলে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম ভোরের কাগজকে বলেন, আপনাদের (সাংবাদিক) ভাষায় প্রভাবমুক্ত বা খবরদারি হলেও আমরা সেই ভাষা প্রয়োগ করছি না। আমরা বলছি সমন্বয় করে প্রশাসন চালানোর দাবিটি। একইসঙ্গে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি, কাজেই আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও কেন্দ্রীয় সরকারকেই দেখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর ভোরের কাগজকে বলেছেন, নিরাপত্তার বিষয়টিই হয়তো আমাদের তরফ থেকে ফোকাস করা হবে। তবে এটিই একমাত্র নয়; আরো কয়েকটি দাবি যুক্ত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ এরই মধ্যে ১১/১২ জন ডিসি বদলি হয়েছেন, তাদের জায়গায় নতুনরা দায়িত্ব নেবেন। সবার সঙ্গে আলোচনা করে দাবিগুলো ঠিক করা হবে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ভোরের কাগজকে বলেছেন, ডিসি সম্মেলনে আগে থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা কিংবা রাজনৈতিক খবরদারি মুক্ত মাঠ প্রশাসনের জন্য আলোচনা নির্ধারিত থাকে না। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ডিসিদের যখন আলোচনা চলে তখন যদি কেউ প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন তখন এবিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তেমনিভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগ নিয়ে আলোচনার সময় কোনো ডিসি নিরাপত্তা কিংবা খবরদারির বিষয়ে আলোচনা তুললে আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।

তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৯টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। পরে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন। সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মাঠপর্যায়ের নানা প্রতিবন্ধকতা ও সমস্যা তারা প্রধানমন্ত্রীর সামনে অনেকটা খোলামেলাভাবেই তুলে ধরবেন। সম্মেলনে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগেরও কার্য অধিবেশন হবে। অধিবেশনগুলোতে আগের বছরের প্রস্তাবের বিপরীতে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সেটিও জানানো হবে।

তবে একাধিক ডিসি বলেছেন, প্রতি বছর ঘটা করে ডিসি সম্মেলন করা হলেও এর সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন আটকে থাকে নানা জটিলতায়। বাস্তবায়নাধীন, চলমান অথবা বাস্তবায়ন হয়নি এসব শব্দের আবরণে চাপা পড়ে ডিসি সম্মেলনে গৃহীত উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত। গত বছর ডিসি সম্মেলনে নেয়া বেশির ভাগ সিদ্ধান্তের ভাগ্যেও জুটেছে এমন পরিণতি। অথচ ডিসিরা মাঠ প্রশাসনে কাজ করতে গিয়ে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হন, সমাধানের জন্য তা সম্মেলনে তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু যেসব সমস্যার সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রশাসন জড়িত, সেগুলোর বেশির ভাগই আটকে থাকে। ডিসিরা উদ্যম নিয়ে সম্মেলনে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। কিন্তু বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন। জেলার সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব হয় না।

একাধিক ডিসি ভোরের কাগজকে বলেন, এ সম্মেলনে তারা যেসব সুপারিশ তুলে ধরবেন, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভালো কাজে স্বীকৃতি দেয়া। তারা বলেন, মাঠ পর্যায়ে কোনো কর্মকর্তা ভালো ভূমিকা রাখার পর সরকারের স্বীকৃতি মিললে তারা আরো উৎসাহ নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু এমন কোনো প্রথা না থাকায় ভালো কাজে প্রতিযোগিতা কম দেখা যায়। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে চান না। প্রশাসন ছাড়া অন্যান্য প্রায় সব ক্যাডার কর্মকর্তাকে ভালো কাজে স্বীকৃতি দেয়ার বিধান রয়েছে। যেমন, পুলিশে ভালো কাজে পিপিএমসহ নানা ধরনের স্বীকৃতি দেয়া হয়। সম্মেলনে ডিসিরা ভালো কাজে প্রণোদনাসহ সনদ দাবি করবেন। এ ছাড়া তারা অপরাধ দমনে সংক্ষিপ্ত বিচারিক ক্ষমতা দাবি করবেন। এ ব্যাপারে ডিসিদের ব্যাখ্যা হচ্ছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় একজন ম্যাজিস্ট্রেটের শাস্তি দেয়ার বিধান থাকলেও তারা বিচার করতে পারছেন না। এজন্য তাদের আদালতে পাঠানো হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আইনি দুর্বলতার সুযোগে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে ডিসিদের সামনে অন্যায় কিছু ঘটলেও তাদের মুখ বুজে সহ্য করতে হচ্ছে। অথচ তাদের বিচারিক ক্ষমতা থাকলে অপরাধের সংখ্যা অনেক কমে যেত। অপরাধীরাও শাস্তি পেত।

জানতে চাইলে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান ভোরের কাগজকে বলেন, আমার জেলা থেকে দুটো প্রস্তাব পাঠিয়েছি। প্রস্তাবগুলো মধ্যে কি কি থাকছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আরো আগে পাঠিয়েছি তো, মনে নেই। তবে দুটো প্রস্তাবই ভূমি সংক্রান্ত হবে মনে হয়। সবমিলিয়ে দেখি সম্মেলনে কি হয়?

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবারের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ ৫৪টি মন্ত্রণালয়-বিভাগ অংশ নেবে। কার্য অধিবেশনগুলোতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব ও সচিবরা উপস্থিত থাকবেন। এ বছরও সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব পাওয়া গেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিষয়ে।
এবারের সম্মেলনে ভ‚মি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালে রূপান্তর, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদারকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ পুনর্বাসন কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসৃজন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্ন্যান্স, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও স¤প্রসারণ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণরোধ, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়ের বিষয়গুলো মূল আলোচনায় থাকবে।

সম্মেলন চলার সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদসচিব, সিনিয়র সচিব, সচিবরা বিভিন্ন অধিবেশনে উপস্থিত থেকে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের দিকনির্দেশনা দেবেন। সব কার্য অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

জানা গেছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচিত বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় ডিসি সম্মেলনে সরকার জেলা প্রশাসকদের কাছে প্রশাসনের সবস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রæতি চাইবে। একইসঙ্গে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডবাস্তবায়নে গতিশীলতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেয়া হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের নীতি-দর্শনের বাস্তবায়ন ও তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার বিশেষ দায়িত্ব দেয়া হবে ডিসিদের। এবারের সম্মেলনে ডিসিদের দেশের শতভাগ সম্পদ জনকল্যাণে ব্যবহারের বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সচেতন থেকে এ সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এর উপকারিতা সম্পর্কে জনসাধারণকে জানানোরও নির্দেশনা দেবেন। পাশাপাশি এসব উন্নয়ন কজে ফসলি জমি যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

More News Of This Category