সর্বশেষ সংবাদ:
কালিয়াকৈরে কারখানার খাবার খেয়ে অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ ধোবাউড়ায় ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রস্তুতি সভা আমি চেয়ারম্যান হবো নবাবগঞ্জে প্রেমিককে জিম্মি করে প্রেমিকাকে ধর্ষন। গ্রেফতার ৪ ধোবাউড়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে জাতীয় পতাকার অবমাননা,সচেতন মহলের তীব্র নিন্দা ভারতে বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে রাম মন্দির স্থাপনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ধোবাউড়ায় মানববন্ধন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ৫৬ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ ধোবাউড়ায় মাস্ক বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আদিবাসী দিবস পালিত ধোবাউড়া উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে যুবকদের খেলাধুলায় মনোনিবেশ করাতে হবে–জালাল উদ্দিন সোহাগ ধোবাউড়ায় দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটি

ধোবাউড়ায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে যৌন-উত্তেজক ট্যাবলেট ও বিভিন্ন পানীয় দ্রব্য

ধেবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ-
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার বাজারগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও পানীয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এগুলো নিষিদ্ধ হলেও প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় অবাধেই বিক্রি হচ্ছে বাজার গুলোতে। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও ধোবাউড়ার বিভিন্ন বাজারের দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা সদর ধোবাউড়া, গোয়াতলা,পোড়াকান্দুলিয়া, দুধনই, কলসিন্দুর বাজারের বিভিন্ন দোকানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক সেনেগ্রা ও অনেগ্রা ট্যাবলেটসহ এ্যাডোজিন প্লাস(জিনসন) কোমল পানীয়। এ ছাড়াও এসব দোকানসহ ফার্মেসীগুলোতেও আরও কয়েক প্রকার ট্যাবলেটসহ কোমল পানীয় বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন যৌন উত্তেজক কোমল পানীয়তে মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল পাওয়া যাওয়ায় সরকার সম্প্রতি এ ধরনের অনেক কোমল পানীয় নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু কোন কোন ব্র্যান্ডের পানীয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে তার তালিকা তাঁদের কাছে নেই। কয়েকজন দোকানি ও এসব পানীয় সেবনকারী কয়েকজন ব্যক্তি জানান, বাজারে বর্তমানে যেসব পানীয় বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের বোতলের গায়ে ‘হারবাল সিরাপ’ লেখা রয়েছে। কিন্তু এসব পানীয়তে বেশি মাত্রায় অ্যালকোহল থাকায় এসব পান করলে শরীরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এনিয়ে উপজেলা সদরের কয়েকটি এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর বৃদ্ধসহ নানা বয়সী পুরুষ যৌন উত্তেজক কোমল পানীয় ক্রয় করছেন। চাওয়ামাত্রই দোকানিরা ক্রেতাকে তা দিয়ে দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা সদরের একজন দোকানি বলেন, বেশির ভাগ দোকানে এসব কোমল পানীয় রাখে বলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তিনিও খুব কম পরিমাণে এসব পানীয় রেখেছেন। তবে তিনি বিবাহিত আর পরিচিত লোকদের কাছেই শুধু তা বিক্রি করেন বলে জানিয়েছেন। এসব পানীয়র দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা নেওয়া হয়ে থাকে। এসব কোমল পানীয় পান করা এক ব্যক্তি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, “এক রাতে বন্ধুদের উসকানিতে নিষিদ্ধ একটি বোতল খেয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে মাথা রিমঝিম করতে শুরু করে। কয়েক ঘণ্টা এ অবস্থা ছিল। ওই রাতেই বুঝতে পেরেছি ওই পানীয় শরীরের জন্য ভালো না”। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর চাওয়া মাত্রই দোকানিরা তা দিয়ে দেন। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এখানে অবাধে এসব পানীয় বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাফিকুজ্জামান বলেন, বিক্রিত বেশীরভাগ যৌনত্তেজক পানীয় এবং ট্যাবলেট ওষুধের মধ্যে পরে না। তবে সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় কিছু দোকানে বিক্রি হতে পারে। এগুলোর খোঁজ নিয়ে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

More News Of This Category