সর্বশেষ সংবাদ:
হাইকোর্টের রায় না মেনে ঘুষ বানিজ্যে ফেঁসে যাচ্ছে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার সহ একাধিক কর্মকর্তা  ধোবাউড়ায় ইসলামিয়া টেকনিক্যাল বিএম কলেজে পরিক্ষা দিতে পারেনি শতাধিক শিক্ষার্থী দিল্লিতে জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪৩ চলচ্চিত্র শিল্পীদের হাতে আজ পুরস্কার তুলে দেবেন; প্রধানমন্ত্রী এসএ গেমসের চলতি আসরে: নবম স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রুম্পার কথিত প্রেমিক গ্রেফতার করেছে (ডিবি) পুলিশ শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের ১৯৫ দেশে উদযাপিত হবে মুজিববর্ষ বিএনপি বিলীন হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির: জিএম কাদের তারাকান্দা শিক্ষকের সরকার বিরোধী পোষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল পেশির বলে দলের নেতা হওয়া যাবে না বলেছেন : ওবায়দুল কাদের

দেশের একটি ঘরও অন্ধকারে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ-   পার্বত্য এলাকার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনকালে শুধু পার্বত্য চট্টগ্রাম নয়, দেশের একটি ঘরও অন্ধকারে থাকবে না। প্রতিটি ঘরে আলো জ্বলবে। কাজের গতি বাড়বে, সময় বাঁচবে। বিদ্যুতের আলোয় কাজ হবে।’ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে সৌর বিদ্যুৎ সুবিধার ব্যবস্থা, বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি কালিয়াকৈর ও গাজীপুরে নির্মিত ‘ফোর টায়ার ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার’, চট্টগ্রাম ভেটেরনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে কাপ্তাই লেকে নির্মিত ভ্রাম্যমাণ গবেষণা তরী (রিসার্চ ভেসেল) এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের পাঁচটি নতুন জাহাজের উদ্বোধন করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য ছিল এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হলে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যে এই বাংলাদেশ উন্নত দেশ হতো। স্বাধীনতার পর পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্ত পরিবেশ ছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার সমাধান এবং এর কারণ চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছি। রাজনৈতিক সমস্যাকে রাজনৈতিক পথেই সমাধান করি। সে সময় ‘শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরে এসেছে। সেখানকার এক হাজার ৮০০ অস্ত্রধারী আত্মসমর্পণ করেছে। তাদের আমরা পুনর্বাসন করেছি।

বিএনপির আমলে পার্বত্য চট্টগ্রামে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল। এখন সেখানে উন্নয়নের ঢেউ উঠেছে। সোলার বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে সেখানে রাতদিন কাজ হচ্ছে। অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হচ্ছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় তিনি ঢাকার বেইলী রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স নির্মাণসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং গণভবনের শীর্ষ কর্মকর্তা।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, আইসিটি মন্ত্রণালয়ের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস সামাদ নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক ও পৃথক ভিডিওচিত্র অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকার প্রশাসন এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

More News Of This Category