সর্বশেষ সংবাদ:
হাইকোর্টের রায় না মেনে ঘুষ বানিজ্যে ফেঁসে যাচ্ছে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার সহ একাধিক কর্মকর্তা  ধোবাউড়ায় ইসলামিয়া টেকনিক্যাল বিএম কলেজে পরিক্ষা দিতে পারেনি শতাধিক শিক্ষার্থী দিল্লিতে জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪৩ চলচ্চিত্র শিল্পীদের হাতে আজ পুরস্কার তুলে দেবেন; প্রধানমন্ত্রী এসএ গেমসের চলতি আসরে: নবম স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রুম্পার কথিত প্রেমিক গ্রেফতার করেছে (ডিবি) পুলিশ শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের ১৯৫ দেশে উদযাপিত হবে মুজিববর্ষ বিএনপি বিলীন হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির: জিএম কাদের তারাকান্দা শিক্ষকের সরকার বিরোধী পোষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল পেশির বলে দলের নেতা হওয়া যাবে না বলেছেন : ওবায়দুল কাদের

জরিমানার ১৫ লাখ টাকা পাবে নুসরাতের পরিবার

নিউজ ডেস্কঃ-   ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বক্তব্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় সোনাগাজী মডেল থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনের ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। ক্ষতিপূরণের এ টাকা নুসরাত জাহান রাফির পরিবার পাবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস-শামস জগলুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। এতে বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার প্রথম রায় ঘোষণা করা হলো।

একইসঙ্গে তাকে ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে ওসি মোয়াজ্জেমকে। জরিমানার এই টাকা নুসরাতের পরিবারকে দিতে বলা হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুটি ধারায় এ রায় ঘোষণা করেন আদালত। ২৬ ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। ২৯ ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, ওসি মোয়াজ্জেম তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। যে কারণে তাকে এই মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয়েছে।’

তিনটি ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। একটিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি বলে জানান ব্যারিস্টার সুমন। তিনি বলেন, তবে রায় বিশ্লেষণ করে এ বিষয়ে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস-শামস জগলুল হোসেন। এ মামলায় ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

গত ১৭ জুলাই বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস-শামস জগলুল হোসেন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ১৭ জুন আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ১৬ জুন রাজধানীর শাহবাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ২৭ মে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আসামি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন মামলার বাদী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

More News Of This Category